বাংলা রচনা সমগ্র

ডিজিটাল বাংলাদেশ রচনা(Digital Bangladesh Rochona)

ডিজিটাল বাংলাদেশ রচনা(Digital Bangladesh Rochona)

ভূমিকা:

সুজলাসুফলা, শস্যশ্যামলা আর অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি আমার প্রিয় বাংলাদেশ বাংলাদেশ একটিউন্নয়নশীল রাষ্ট্র যতই দিন যাচ্ছে বাংলাদেশ দিন দিন ততই উন্নত হচ্ছে।১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীনরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।তারপর থেকে ধবিধ্বস্ত দেশটিকে গড়ে তোলা   সংগ্রাম শুরু হয়। স্বাধীনতার ৪৪ বছর অতিবাহিতহবার পরও আমরা উন্নয়নশীলতার গন্ডি থেকে বের হতে পারি নি।আসে নি আশানুরুপ অগ্রগতি। দেশের কর্মকান্ডে গতিশীলতাসৃষ্টিতে ডিজিটাল পদ্ধতি কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে। ডিজিটাল পদ্ধতি বাংলাদেশের সকল কর্মকান্ডের সাথে ক্রমান্বয়েপ্রযুক্তির ব্যবহার সংযুক্ত হলেই গড়ে উঠবে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

আমার স্বপ্নের বাংলাদেশ:

যে আশাআকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন আর চেতনা নিয়ে বাংলার মানুষ একাত্তরে জীবন দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনকরেছিল স্বাধীনতার ৪৩ বছর পরও তার বাস্তবায়ন হয়নি। তারা চেয়েছিল এমন একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশ যার সর্বত্রআইনের শাসন থাকবে, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা আসবে, স্বাস্থ্য সেবা বৃদ্ধি পাবে, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি হবে এবং মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন হবে। প্রতিষ্ঠিত হবে স্বপ্নের বাংলাদেশ।

ডিজিটাল বাংলাদেশ কী :

আমাদের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশহিসেবে গড়ে তোলারঘোষণা দিয়েছিলেন ডিজিটাল বাংলাদেশ বলতে আমরা সংক্ষেপে যা বুঝতে পারি তা হলো সারা দেশের কর্মকাণ্ডকে আধুনিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ইন্টারনেট সিস্টেমের মাধ্যমে অর্থাৎ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দিয়ে গতিশীল করে তোলা সমগ্র বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণকর্মকাণ্ড এবং বহির্বিশ্বকে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসতে পারলে বাংলাদেশের সর্বক্ষেত্রে যে সফলতা অর্জিতহবে, তাকেই আমরা বলতে পারি ডিজিটাল বাংলাদেশ। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনীপ্রচারণাকে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের অংশ হিসেবে গ্রহণ করতে পারি

নিরক্ষরতামুক্ত সমাজ গঠন:

বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। তারা প্রাথমিক শিক্ষাও অর্জনকরতে পারে না। এসব নিরক্ষর মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে। তারা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন নয়। নিরক্ষরতাদূরীকরণে বর্তমান সরকারকে কাজ করতে হবে এবং শিক্ষিত জনসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশ ডিজিটালবাংলাদেশ লক্ষ্যের দিকে এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

শিক্ষা ক্ষেত্রে :

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে প্রথমেই শিক্ষার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা প্রয়োজন। কেননা শিক্ষাই জাতিরমেরুদন্ড।এ ক্ষেত্রে শিক্ষকের লেকচার বা বক্তব্যভিডিও করে প্রজেক্টরের মাধ্যমে দেওয়ালে সাদা পর্দায় তা প্রদর্শন করা যায়। এটিশিক্ষার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণের সহজ পদ্ধতি। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে পদ্ধতিতে ঘরে বসেও শিক্ষা গ্রহণ করা যায়।নিজস্ব বই না থাকলেও, লাইব্রেরিতে যাওয়ার প্রয়োজন হয় নাইন্টারনেটের ওয়েবসাইট থেকে খুঁজে নিয়ে তা পড়ে ফেলা যায়।এভাবে ডিজিটাল পদ্ধতি শিক্ষাক্ষেত্রে উৎকর্ষ বয়ে আনতে পারে। তবে একে সর্বজনীনকরার জন্য ব্যাপক সরকারি উদ্যোগপ্রয়োজন।

কর্মসংস্থান বৃদ্ধি:

বাংলাদেশের জনসংখ্যা যে হারে বাড়ছে সে হারে কর্মক্ষেত্র বাড়ছে না। ফলে বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যাক্রমাগত বাড়ছে। এসব বেকারদের উপযুক্ত কর্মসংস্থান করতে হবে। এতে দেশের অগ্রগতির সূচনা হবে এবং স্বনির্ভর হবে।

ক্ষুদ্র কুটির শিল্পের পুনরুজ্জীবন:

প্রাচীনকাল থেকে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের কুটির শিল্পে তৈরি পণ্যদ্রব্যের খ্যাতি ছিল।বর্তমানেও আন্তর্জাতিক বাজারে এর বিপুল চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে আজ শিল্পের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হতে চলেছেবাংলাদেশ থেকে আমাদের প্রাচীন ঐতিহ্যের গৌরব ফিরিয়ে আনতে হবে। শিল্পকে পুনরায় উজ্জীবিত করতে হবে। শিল্পেবিনিয়োগ করলে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হতে পারে। তাই আমাদেরকে এই শিল্পের দিকে নজর দিতে হবে।

চিকিৎসা ক্ষেত্রে :

চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপিত হলে ডাক্তারের কাছে সরাসরি উপস্থিত না হয়েওঅনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করে ব্যবস্থাপত্র গ্রহণ করা যায়। যেকোনো ধরনের শারীরিক সমস্যায় ঘরে বসেডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চিকিৎসা করা যেতে পারে যেমনটা করোনার সময় করা হয়েছে বিষয়টি সরকারি উদ্যোগে সর্বজনীন হয়ে উঠলে এক্ষেত্রেপ্রতিষ্ঠিত হতে পারে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে:

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সুনাম  বিশ্বব্যাপী রয়েছে।বাংলাদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতেহবে। আইনশৃঙ্খলার উন্নতি করতে হবে। প্রকৃত অপরাধীকে খুঁজে বের করে শাস্তি দিতে হবে। মানুষ যাতে আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ নাকরে, দুর্নীতি না করে, ঘুষ না খায়, সমাজের শান্তিশৃঙ্খলা নষ্ট না করে, ধ্বংসাত্মক কাজ না করে সেদিকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। তাদের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

কৃষিক্ষেত্রে:

বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদের ফলে কৃষিতে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। গ্রামেরকৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে বিজ্ঞানের বদৌলতে উদ্ভাবিত হয়েছে উন্নত জাতের বীজ, পরিবেশ বান্ধব সার উচ্চ ফলনশীলপ্রজাতির শস্য। অনাবৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাও উদ্ভাবিত হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশেরকৃষকসমাজ অধিকাংশ নিরক্ষর হওয়ার কারণে সবকিছুর সফল ব্যবহার করতে পারছে। তাই কৃষকদের যথার্থ প্রশিক্ষণ দিয়েউপযুক্ত করে তুলতে পারলে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ওয়েভসাইট থেকে নানা বিষয় জেনে নিয়ে তা কাজে লাগাতে পারে। তাহলে এক্ষেত্রেও ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে উঠতে পারে।

অফিসআদালতে :

বাংলাদেশের অধিকাংশ অফিসআদালতে কাজের গতি অত্যন্ত মন্থর এবং সর্বক্ষেত্রে ওঁৎ পেতে আছেদুর্নীতির কালো থাবা।অফিসগুলোতে  সি সি ক্যামেরা স্থাপন করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের আওতায় এনে একস্থানে বসেপ্রশাসনকে গতিশীল,কর্মমুখি দুর্নীতিমুক্ত করা যায়। ব্যবস্থা ব্যাপকভাবে চালু করা হলে কেউ আর অফিসে বসে কাজ রেখেআরামপ্রিয়মগ্ন হবে না এবং ঘুষদুর্নীতির সন্ধানে ব্যস্ত রাখবে না নিজেকে। তখনই কুশাসনের পরিবর্তে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং গড়ে উঠবেডিজিটালবাংলাদেশ।

নিরাপত্তা বিধানে :

নিরাপত্তা সর্বক্ষেত্রেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এক্ষেত্রে সি সি ক্যামেরা স্থাপন ইন্টারনেটের সাথে কম্পিউটারনেটওয়ার্কের সংযোগ সাধন করে নিরাপত্তা বিধান করা সম্ভব। কেননা, দুষ্কৃতকারীরা কোনো অঘটন ঘটিয়ে সাময়িকভাবেপালিয়ে গেলেও পরবর্তীকালে ক্যামেরার বদৌলতে ধরা পড়তে বাধ্য। নিশ্চিত হবে জাতির নিরাপত্তা। আর জাতির নিরাপত্তানিশ্চিত হলেই গতিশীল হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

ক্রয়বিক্রয়ের ক্ষেত্রে :

ক্রয়বিক্রয় মানুষের জীবনে একটি নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। বিভিন্ন প্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী কেনার জন্যপ্রতিদিনই আমাদের হাটে বাজারে বা কোনো শপিংমলে যেতে হয়। কম্পিউটার নেটওয়ার্কের বিস্তার ঘটানো হলে ঘরে বসেই ক্রয়বিক্রয় করা যাবে এবং বর্তমানে সীমিত আকারে তা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পছন্দ করা, দামদস্তুর করা, এবং অনলাইনব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করে দ্রব্যসামগ্রী ঘরে বসে পেয়ে যাওয়া সবই সম্ভব। শুধু দেশেই নয়, বিদেশের সাথেও এটিকার্যকর হবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে। পদ্ধতি ব্যাপকভাবে চালু হলেই বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এক ধাপ এগিয়েযাবে।

যোগাযোগের ক্ষেত্রে :

বর্তমানে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সাহায্যে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেককিছুই নিয়ন্ত্রিতহচ্ছে। বিশেষ করে আকাশ পথ এখন কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিভিন্ন গ্রহে রকেট উৎক্ষেপণ করা হলে যোগাযোগথাকছে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সাথে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে সমুদ্র পথও মুহুর্তের মধ্যে একদেশের সাথে আরেক দেশের যোগাযোগ স্থাপিত হচ্ছেইন্টারনেটের মাধ্যমে।এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সারা দেশকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসা যাচ্ছে।

প্রকাশনার ক্ষেত্রে :

প্রকাশনার ক্ষেত্রে যদিও অনেক আগেই কম্পিউটার সিস্টেম চালু হয়েছে আমাদের দেশে। আগে যে বইটি ছেপেবের হতে দু মাস সময় লাগত, বর্তমানে তা দু দিনেই সম্ভব। বাংলাদেশের কোনো বাংলা বই বিদেশ থেকে প্রকাশ করতে চাইলেএখন আর কোনো সমস্যাই নেই। সবকিছু ফাইনাল করে কয়েক মিনিটের মধ্যে তা নির্ধারিত দেশে পঠিয়ে দেওয়া যায় এবং সে দেশের কোনো বই পদ্ধতিতেনিয়ে এসে আমাদের দেশে দ্রুত গতিতে প্রকাশ করা যায়

সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে :

সংবাদপত্রের ক্ষেত্রে কম্পিউটার এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে একটি সংবাদপত্রএকই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রকাশিত হচ্ছে। আবার বিদেশি পত্রিকাগুলো আমরা পড়তে পারছি ইন্টারনেটের মাধ্যমে। অনেক আগের পত্রিকাও খুঁজে বেরকরে নেওয়া যাচ্ছে ওয়েবসাইট থেকে।

বিনোদনের ক্ষেত্রে:

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। খেলাধুলা, সিনেমা ইত্যাদি থেকে শুরুকরে নানা ধরনের আনন্দ উপভোগ করা যাচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে। খেলা যাচ্ছে নানা ধরনের ইন্টারনেট গেমস।ইন্টারনেটেরসাহায্যে অন্য কোনো দেশে চলমান খেলার ফলাফল মুহূর্তের মধ্যেই জানা যাচ্ছে।

অসাম্প্রদায়িক নীতি:

বাংলাদেশের নানা জাতিধর্মবর্ণের লোক বাস করে। তাদের সবাইকে অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিতে দেখতে হবে।কোনো ধরণের বৈষম্য করা যাবে না। সবাই মিলেমিশে সংঘবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। তাহলেই বাংলাদেশএগিয়ে যাবে।

প্রকৃত গণতন্ত্রের চর্চা:

বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ। এদেশের জনগণকে গণতন্ত্র চর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। গণতন্ত্রের সুফলসম্পর্কে জনগণকে অবহিত করতে হবে। দেশে গণতন্ত্র থাকলেও প্রকৃত গণতন্ত্র চর্চার অভাব রয়েছে তাই প্রকৃত গণতন্ত্র চর্চারমাধ্যমে স্বপ্নের বাংলাদেশ তৈরিতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

ব্যাংক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে :

কম্পিউটার সিস্টেম ব্যাংক ব্যবস্থাকে গতিশীল করে তুলেছে। বেশ কয়েকটি ব্যাংকে চালু হয়েছে অনলাইনসিস্টেম। এখন আর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বা দূর দূরান্তের কোনো জেলায় নগদ টাকা বহন করে নিয়ে যেতে হয় না। কম্পিউটারেরসাহায্যে অনলাইন ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে তা সমাধা করা যায় ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে। একজনের হিসাব থেকেঅন্য কারও হিসেবে মুহূর্তের মধ্যে টাকা পাঠানো যায়। সকল ব্যাংকে ব্যবস্থা প্রবর্তিত হলে গড়ে উঠবে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

অনলাইন তথ্য কেন্দ্র স্থাপন :

বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি তথ্যসেবা জনসাধারণের দোরগোড়ায় পৌছে দেওয়া সম্ভব অনলাইনতথ্যকেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে। এসব তথ্যকেন্দ্র থেকে মানুষ বিভিন্ন ডাটা বা তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। জানতে পারবে সর্বশেষপ্রাতিষ্ঠানিক অবস্থা ও অবস্থান। বর্তমানে নির্বাচন কমিশন প্রতিটি উপজেলায় সার্ভার স্টেশন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। সার্ভার স্টেশন চালু হলেভোটাররা তাদের নিজ উপজেলায় বসে নতুন ভোটার হওয়া, ভুল সংশোধন, পরিবর্তনসহ যাবতীয় তথ্য আপডেট করতে পারবে।অন্যান্য সেক্টরেও ধরনের সার্ভার স্টেশন চালু হলে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে ওঠার স্বপ্ন বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত হবে।

উপসংহার :

উপরোক্ত স্বপ্নগুলো বাস্তবায়িত হলে এদেশের কোনো মানুষকে ক্ষুধার সাথে সংগ্রাম করে বাঁচতে হবে না, মারা যাবে না কেউচিকিৎসার অভাবে। সবার মধ্যে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগবে। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলবে আমার স্বপ্নের বাংলাদেশ।বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র। দেশটিকে উন্নতির দিকে নিয়ে যেতে হলে সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটাতে হবে। আর উন্নয়নঘটাতেহলে কাজের কোনো বিকল্প নেই। কাজের মধ্যদিয়েই ভালোবাসতে হবে দেশকে। প্রশাসনকে করে তুলতে হবে কার্যকর গতিশীল। আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে অগ্রসর হতে হবে। তবেই প্রতিষ্ঠিত হবে ডিজিটাল বাংলাদেশ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button